Ad Clicks : Ad Views : Ad Clicks : Ad Views : Ad Clicks : Ad Views :

কোন সময় কি বলতে হবে এবং সেগুলাের বাংলা অনুবাদ ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা

/
/
/
56 Views

কোন সময় কি বলতে হবে এবং সেগুলাের বাংলা অনুবাদ ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা .. / আল হামদুলিল্লাহ:-আল হামদুলিল্লাহ শব্দের অর্থ, সকল প্রশংসা মহান আল্লাহর জন্য। যে কোন সুখবর বা ভালাে অবস্থা সম্পর্কিত সংবাদের বিপরীতে সাধারণত এটি বলা হয়ে থাকে। যেমন ভাই আপনি কেমন
আছেন? জবাবে বলা উচিত, আল হামদুলিল্লাহ, ভালাে আছি। |

আরও পড়ুনঃমৃত্যু নিকটবর্তী হওয়ার ৬ টি লক্ষণ জেনে নিন

| ইনশাআল্লাহ: – ইনশাআল্লাহ শব্দের অর্থ, মহান আল্লাহ যদি চান তাহলে। ভবিষ্যতের হবে, করবাে বা ঘটবে এমন কোন বিষয়ে ইনশাআল্লাহ বলা সুন্নত। যেমন ইনশাআল্লাহ আমি আগামী কাল আপনার কাজটি করে দিবাে। পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ মুমিনদেরকে এর নির্দেশ দিয়েছেন।
মাশা আল্লাহ: মাশা আল্লাহ শব্দের অর্থ, আল্লাহ যেমন চেয়েছেন। এটি আল হামদুলিল্লাহ শব্দের মতােই ব্যবহৃত হয়ে থাকে। অর্থাৎ যে কোনও সুন্দর এবং ভালাে ব্যাপারে এটি বলা হয়। যেমন, মাশা আল্লাহ তুমি তাে অনেক বড় হয়ে। গেছাে।

সুবহানাল্লাহ: সুবহানাল্লাহ শব্দের অর্থ আল্লাহ পবিত্র ও সুমহান। আশ্চর্য জনক ভালাে কোন কাজ হতে দেখলে সাধারণত এটি বলা হয়ে থাকে। যেমন সুবহানাল্লাহ! আগুনে পুরাে ঘর পুরে গেলেও কুরআন শরীফ অক্ষত আছে।

নাউযুবিল্লাহ: নাউযুবিল্লাহ শব্দের অর্থ, আমরা মহান আল্লাহর কাছে এ থেকে আশ্রয় চাই। যে কোনও মন্দ ও গুনাহের কাজ দেখলে তার থেকে নিজেকে আত্মরক্ষার্থে এটি বলা হয়ে থাকে। / আসতাগফিরুল্লাহ: আসতাগফিরুল্লাহ শব্দের অর্থ আমি মহান আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই। অনাকাঙ্ক্ষিত কোন অন্যায় বা গুনাহ হয়ে গেলে আমরা এটি বলবাে।

/ ইন্নালিল্লাহ বা ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন: অর্থ, নিশ্চয়ই আমরা মহান আল্লাহর জন্য এবং আমরা তার দিকেই ফিরে যাবাে। যে কোনও দু:সংবাদ বা বিপদের সময় আমরা এটি বলবাে।
লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ: অর্থ; মহান আল্লাহর সাহায্য ও সহায়তা ছাড়া আর কোন আশ্রয় ও সাহায্য নেই। শয়তানের কোন ওয়াসওয়াসা বা দুরভিসন্ধিমূলক কোন প্রতারণা থেকে বাঁচার জন্য এটি পড়া। উচিত।

/ কারাে সাথে দেখা হলে- হাই, হ্যালাে না বলে বলুন- আস সালামু আলাইকুম (আপনার উপর মহান আল্লাহর শান্তি বর্ষিত হােক) | কেউ আপনার কোন উপকার করলে তাকে থ্যাংক ইউ না বলে বলুন- জাযাকাল্লাহ খায়রান (মহান আল্লাহ আপনাকে সর্বোত্তম প্রতিদান দান করুন)
কারাে কাছ থেকে বিদায় নেয়ার সময় টা টা না বলে বলুন- আল্লাহ হাফেজ (মহান আল্লাহ সর্বোত্তম হিফাজতকারী) অথবা ফি আমানিল্লাহ। দুনিয়ার সমস্যা গুলাের সমাধান, দোয়া কবুল হওয়ার জন্য ও আখিরাতে উত্তম ফল লাভের জন্য
================================================
** নিচের আমলগুলাে করলে আপনার জীবনের বহু সমস্যা সমাধান হবে এবং আল্লাহ দোয়া কবুল করবেন। আপনি আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস রেখে তার শক্তি সামর্থ্য সম্পর্কে পরিপূর্ণ বিশ্বাস স্থাপন করে নিচের আমলটি করলে দোয়া কবুল হবে। পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। রাতের শেষ তৃতীয়াংশে ওযু করে পবিত্র হয়ে দুই রাকাত সালাতুত তওবার নামাজ পড়ে ও তাহাজ্জুদের নামাজ পড়েঃ

১০০ বার সুবাহানাল্লা (আল্লাহ পবিত্র)।

১০০ বার আলহামদুলিল্লাহ (সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য)

১০০ বার আল্লাহু আকবার (আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ)

। ১০০ বার ইয়া ওয়াহহাব (আল্লাহ সবকিছু দানকারী)

১০০ বার আসতাগফিরুল্লাহ (আমি আমার আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাচ্ছি)

১০০ বার দোয়া ইউনুছ তথা লা ইলাহি ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জোয়ালেমিন (আল্লাহ ছাড়া কোন মাবুদ নেই, আল্লাহ পবিত্র মহান , আমি তাে সীমা লঙ্ঘনকারী )

১০০ বার আল্লাহর মহান রসুল সঃ এর উপর ১০০ বার দরুদ পড়ে দোয়া করলে ইনশাআল্লাহ দোয়া কবুল হবে।

আল্লাহ আপনার সমস্যা সমাধান করে দিবেন। এই আমল গুলাে নিয়মিত করল, নিয়মিত নামাজ পড়লে ও প্রতিদিন অন্তত কোরান থেকে ৫ টি আয়াত অর্থ সহ তেলােয়াত করলে আল্লাহ আপনার ঈমান বাড়িয়ে দিবেন। ঈমানকে বাড়াতে বাড়াতে আল্লাহ এমন পর্যায়ে আপনাকে নিয়ে যাবেন যে, দুনিয়ার কাউকে আপনি পরওয়া করবেননা সবকিছুতেই একমাত্র আল্লাহর উপরেই ভরসা করবেন।
# * * * * * * * * * *
| পােস্টটি আপনি নিজে পড়ুন আপনার পরিচিত সবাইকে পড়ান। যদি একজন মানুষও এই আমলটি করে কল্যাণের ও আলাের পথে আসে তাহলে মন্দ কি? ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত

  • Facebook
  • Twitter
  • Google+
  • Linkedin
  • Pinterest

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This div height required for enabling the sticky sidebar